কেবিন নং ৪১৩
১)
এক অস্থির সময় পার করে
স্থির হয়ে আছি
যেটুকু আলো গায়ে এসে পড়ে,
হাওয়া লাগে –
তিরতির করে ভিতর ঘর কেঁপে ওঠে—
দিনের আলোও নিঝুম এখন
হাড়ে গোড়ে ঠান্ডা লাগে।
২)
ফিরে যখন আসতেই হবে
সিরিঞ্জ সেলাইন গজ তুলো
থেকে গা বাঁচিয়ে
ফিরলাম আমিও ঘরে
জলের কোলাজ আঁকি স্নানঘরে
ঘষে তুলতে চাই
নাছোড় দাগছোপ সব
অকাল বসন্ত এসে
ঝরিয়ে দিলো ফোঁটা ফোঁটা
শিমুল , পলাশ
দেহের উঠোনে।
৩)
শহরে সন্ধ্যা নামলে
বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে ওঠে এ ক্ষীণদেহে
জখমগ্রস্ত শরীর বিস্মরণে ভেঙে যায়
নিয়ত, একাকি
আর এই
জীবন , মুঠো থেকে গড়িয়ে পড়া আয়ু
নিয়ে বয়ে যায় , দূর , নিরাময়ের দিকে –
আপ্ত বাক্য ভোর দেখবে বলে।
দেবলীনা চক্রবর্তী। গৃহবধূ ।আমার প্রতিদিনের যাপন ও আত্মিকতায় জুড়ে আছে সঙ্গীত প্রেম আর ভীষণ খামখেয়ালী, উদাসী চোখ দুটো অবাধে কল্পনার জাল বুনে চলে, সেই সমস্ত ভাবনাবিলাস ও অনুভূতির ঝাঁপি ধীরে ধীরে খুলে শব্দ আকার নিতে শুরু করে কবিতার বিনি সুতোর মালায়। কবিতা লেখার পাশাপাশি ভারতীয় কবি সাহিত্যিকদের হিন্দি ও উর্দু লেখা বাংলায় অনুবাদ করে আমি সহজ আনন্দ অনুভব করি। সেই সকল অনুবাদ নিয়মিত প্রকাশিত হয় বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় যা প্রতিনিয়ত আমায় উৎসাহিত ও উদ্দীপ্ত করে।
Post Views: 310
