কুন্তল দাশগুপ্ত

মনোলগ

এত শক্তি! এত! তবু নদী পাড়ে চিতাকাঠের ডাক উপেক্ষা করে যাই সে শক্তি
কই! সন্তানের ঠোঁট নিকোটিনে কালো হয়ে আছে। চুমো কী ফুটবে আর? নিকোটিন
ভেদী শক্তি নেই। নেই! চলে যেতে পারছি না যে কোনো দিকেই। হারিয়েছি দিক।
কবে! বে-খেয়াল পড়ে গেছি কুয়োয় মগজের ঘুঁজি জুড়ে কূপমণ্ডুকতা জারি। ঘাড়
উঁচু করলে অম্বর চোখ ঠারে। অম্বর তবে দিক! দিগম্বর হতে ফোসলানি দেয়
কুয়োর পোকারা। ওরা তো খাদ্য। আমার সেবায় লেগে ধন্য হবে ব’লে কিলবিল
করে।। ওল্‌টানো জিভে ছপাৎ শব্দ তুলি সে শক্তি নিয়ে গেছে কাল। কাল চাঁদের
রাতে পরিধি মোতাবেক বাঁধা অম্বরে চাঁদ নেই দেখে খাদ্যে মন দেওয়া-নেওয়ার
ভাবনা ভেঙে যায় পোকাদের শীর্ষে সন্তানের মুখ দেখে।

হাওড়া জেলার ডোমজুড় ব্লকের উত্তর ঝাঁপড়দহ গ্রামে 1966 খ্রিস্টাব্দে 9 মে জন্ম। পিতা—নির্মল দাশগুপ্ত ছিলেন পার্বতীপুর ঠাকুরদাস নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের শিক্ষক। বাবার স্কুলেই শিক্ষারম্ভ। পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে সাম্মানিক স্নাতক। বর্তমান পেশা পাঠ পরামর্শ বিক্রয়। লেখালিখি করেন— ছোট গল্প, ব্যক্তিগত গদ্য এবং কবিতা। 

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 × five =

Shopping Cart
Scroll to Top