(১) নগ্ন বিদ্যুতের কামধেনু ও সমকামী গিরিখাতের বিসর্গীয় পিতা
বিদ্যুতের মত পাপ নেমে আসে নাভির গর্তে , নাভি জল দিয়ে মাংসাশীর রবের তালব্য ভেদ করে ব্রহ্ম দানা , স্বয়ং গণতন্ত্রের মতো এক প্রখর শিলার দুর্দমনীয় জলজ বরফের গিরিখাত ,কে ওই ডালে গর্ভপাতের সব তরল নিয়ে নেমে আসে? বৃষ্টিতে বৃষ্টিতে আমিও তখন দুর্মদ অগ্নির অর্গাজম করছি, বিশুদ্ধ মাংসাশীরা গোল হয়ে বসে থাকে এই জনাকীর্ণ জঙ্গলে ,আমাদের বিশ্বস্ত আত্মহত্যা বিষয়ক সব শবদেহের ব্যবচ্ছেদ চলছে জঙ্গলের ভেতরেই বিশুদ্ধ জলাধারের থেকে জল খায় সাপ মুখ উঁচু করে , সাপের বীভৎস এক পিতা আছে, পিতা ক্রমশ খুন হয়ে যায় , জলের মতো রক্তস্রাব নেমে আসে উঁকি দিয়ে দেখি মেঘের ভেতরে আমাদের কামধেনুর গন্তব্যে নৈসর্গিক বিসর্গ চিহ্নের হাতিয়ার জ্বলছে , সমকামী দৃষ্টিতেও পাথরের অগ্নুৎপাত চলছে। লাল গর্ভস্থ বিভীষিকায় তৃষ্ণার্ত নদী ক্রমশ ক্ষয়হীন পৃথক আত্মার সরলবর্গীয় শবদেহ কাঁধে নিয়ে নামবে মহাকাশ থেকে মহাকর্ষীয় জলের থেকে নামবে আমাদের শ্বেত পরাগ দাউ দাউ জ্বলে উঠবে বিশ্বস্ততার মানচিত্র। এত গভীর অরণ্যের ভেতর সাপেরা ও অবৈধ সঙ্গম করলে নষ্ট হবে অভয়ারণ্যের নভশ্চর আশ্রম , ঈশ্বরের তরল দাও হে বিশুদ্ধ , খণ্ড খণ্ড হয়ে যাই বারবার , এই ময়ূরপঙ্খী রঙের কৌপিন পরে বিনম্র সমাধির পাশে খুলে ফেলি সকল পরিচ্ছদ
(২) তেজস্ক্রিয় ক্ষত্রিয়ের কর্কট ঋতুকাল ও উলঙ্গ মেঘের শ্বেত বস্ত্র
রক্তের তরল থেকে কে ওই ক্ষত্রিয় বিষ ছড়াচ্ছে ? জলজ সংগীতে আমিও নিঃশব্দের জানালা বন্ধ করি ,জানালায় বিশুদ্ধ নক্ষত্রের গুঁড়ো স্ফটিক ঢালু জঙ্গলের প্রত্যাশন অলৌকিক ফুটে থাকবে সন্ন্যাস দানের পর, এখানেই তো তিনি রাধা বাঁশি বাজাবেন ধুম্রজ্যোতির বলয়ে, গর্ভবতী মেঘ থেকে নেমে রাধা বিহার করবেন পেছনে পেছনে চক্রাকার আঁচড়ের দাগ আমি তো জন্মের অচ্ছুত ময়ূরীর শ্বেত বস্ত্র পরে জলের পাশে উবু হয়ে খেতে থাকবো রাজহাঁসের মাংস উর্বর খনির ভেতরে আমার জন্মের পাপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে কেউই বিশুদ্ধ জলে ধুয়ে ফেলছে তার অলৌকিক ও বৈদেহিক যৌন প্রদেশ , ক্ষত করে দাও ক্ষত্রিয়ের কর্কট ঋতুকাল জলে জলে খনিজ ঈশ্বর জেগে উঠবে এবার , ছদ্মবেশে এসো তুমি যমুনা বিহারে এতো বিশুদ্ধ উলঙ্গ পৃথিবীতে আর কখনো দেখিনি এর আগে, চামড়ার স্তর ভেদ করে আমি দেখতে পাচ্ছি মহাবিশ্ব রূপের তৃতীয় দরজা সমগ্র এখনই বীভৎস বিদ্যুৎ নেমে আসবে হে সখা , নৌকোর অভ্যন্তরে এসো সমগ্র চন্দন ফোঁটা দিয়ে আরো আরো যৌন করে তুলি
(৩) জঙ্ঘা শূন্য চুম্বকিত ডিম ও মহা সিংহাসনের ধুমকেতুর রহস্য
তরল বৃষ্টিপাতের থেকেও আরো মারাত্মক, কম্বোজ খোলসের মতো আরও শক্ত নাভি, রক্তাক্ত টিকটিকির থেকেও আরো ভৈরবময় দুর্বাসার থেকেও আরও শীতল দধীচির থেকেও আরো ভয়ংকর বজ্রপাতের প্রলাপ, নষ্ট সাপের খোলসের থেকেও আরো চমৎকৃত মেরুজ্যোতির্ময় ভাস্বর এ কক্ষপথ , প্রহরবিহীন বৃষ্টিপাতের পর নদীটির নাব্যতা বেড়ে যায়, ক্ষয়ে যায় পাললিক খনিজ পদার্থের ধূমকেতু রহস্য , মৃতদেহ ভেসে ভেসে যায় জলের মতোই অতি স্বচ্ছ সব পরিকল্পনা মাপিক এ ভূমিকা ভোর রাতের মতো অতি তীব্রতর কোন লৌহ কণিকায় স্নান করবেন সিংহাসন ধুয়ে ফেলবেন প্রতি সুক্ষ্মতম ডিমের প্রকারভেদে , লালা কীর্তন চুম্বকিত হবেন ধূসর বর্ষায়, কে ওই সোনালী চামড়ায় বিশুদ্ধকর্ষণযোগ্য স্বর্ণালংকার ফেলে আবেশিত মন্দিরে জল ক্রীড়া করছে , তীক্ষ্ণ মাথার খুলি, লাল নখ নখের আঁচড় গুহ্য-প্রদেশের গর্ভ দেশের কালিকা মন্দিরের উপাচার সমগ্র এখানেই তো দহন আছে প্রতি নৈশ প্রহরের বিশুদ্ধ বজ্রপাতে , হেঁটে হেঁটে যাও তড়িৎ ও রজ্জুর মতো সূক্ষ্ম হয়ে বীভৎস পারমাণবিক বিস্ফোরণে। লালা বিহীন কীর্তনের জঙ্ঘায় অংকুর গজিয়ে উঠুক , বীভৎস পারমাণবিক তিনি নব বৃন্দাবনে শৌচমুক্ত সমাধি হবেন বাজাবেন ধুমকেতু রস বাঁশি পায়ে জড়িয়ে থাকবে ময়ালের শ্বেতপ্রদর , হে কুন্দ বিছানায় এসো মাদকাসক্ত হই
(৪) স্বভোজী জল ক্রীড়ার ধ্রুপদী ও অনৈসর্গিক নাভির তীব্র সাপ
ক্রমশ স্বভোজী হয়ে উঠছে জলকেলি ক্রীড়া বিষয়ক হলুদ মকরদের স্নায়ুতন্ত্র বিশারদ , দ্রৌপদী প্রকারভেদ নখ ও নখের বিশুদ্ধ কিংশুক সবুজ পত্র , অগ্নির মতো এই ফল ভান্ডার মুকুলে আদিম নাব্যতার নাভি খুঁড়ে উনুনের বিষধর চক্রাসনে বসে আছে তাপ কণিকায়, জলপ্রপাতে স্নান করে ফেলছে তার বংশচক্রের আদিম লতিকা সমগ্র এ সঙ্গম বৃক্ষের পাশে জড়িয়ে থাকি শঙ্খ লাগা শ্বেত পরাগের মতো। গুঁড়ো গুঁড়ো পড়ে যায় আমাদের দেহের স্বর্ণালংকার গুঁড়ো, সুখে সুখে আরো প্রাণিত হবে ধূসর ঘোড়াদের দল ঋতুচক্রের মতো এপ্রিল প্রকাশ ভঙ্গিমায় বীভৎস অগ্নিসুড়ঙ্গ মাথায় নাভি যকৃতের পাতাবাহার নিশুতি রাতের অনভিপ্রেত কামড় আঁচড় , নৈসর্গিক প্রদেশে কে কাকে জঙ্গমশূন্য করছে এ প্রখর ধুমাবতি অন্ধকারে এসো কামদেব তীক্ষ্ণ সাপের গর্জন থেকে কেড়ে নিয়ে যমজ পিন্ডের ক্ষার ধাতুতে সমগ্র মায়া ঘোর ছিন্ন করি নিঃস্ব হয়ে যায় মুদ্রা রহস্য পীত বিন্দু ফেলে নোঙর রাখি বৈকুন্ঠের দিকে , এ দেহ থেকে খুলে পড়ুক অপ্সরার সমিধ লবণ পরিচ্ছদ
(৫) অতৃপ্ত সঙ্গের অরবশালা ও নিধুবনের কর্কট সমাধিপত্র
রক্তাক্ত জঙ্গলের পাশে বিছানা পেতে রেখেছি , বিছানায় নরম উদ্ভিদ কর্কশ বাঁশির আর্তনাদ , কে ঐ মধ্যরাতে ডেকে ওঠে, প্রাণহীন পতনের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য ক্রমশ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে এ প্রহর প্রদেশের শুভ প্রদেশ , এখনই উন্মাদ হবে নিশুতি পাখিরা নখের ভেতরে আঁচড় কাটবে কোনো পিঙ্গলার গর্ভদেশ ও হৈমবতী হিমশৈলের তুষারাবৃত আঘাত , কর্দমাক্ত নাভি থেকে তুলে নেব সাপের পঞ্চবটি হাঁস ছদ্মবেশে যাবে ঈশ্বরীর ঞ আ-কার মন্দিরে এখানে সমগ্র দুগ্ধবতী দ্রব্যের বাজারের রহস্য চলছে এত উনকোটি হাড়েরা তীব্র লোহিত রঙের হয়ে যাচ্ছে অথচ সেবকের মতোই অস্ত্যর্থক নৃত্যের পায়ের গোড়ালিতে যবনিকার দাগ , এখানে কোন অঙ্গার সদৃশ্য দেহের শক্ত কবর নেই রক্তাক্ত লালায় জর্জরিত হয়ে যাচ্ছি আমি। এসো ক্ষত্রিয়ের নিপুন সারথি এসো বন্ধু বৎসল হে ঈশ্বর হে তান্ত্রিক স্নান করো জলাধারবিহীন আরোগ্যশালায় , এতো মূলাধার চক্রের বৃষ্টিতে শর্করাহীন হয়ে যাও অশ্ব সঙ্গমের মতো তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত জ্বরে পড়ুক দুই বাহুমূল সমৃদ্ধ যোনিবিহীন অভয়ারণ্যের তীব্র করোটি গুলো পরম শান্তির পথে অসংখ্য আলোকবর্ষের কৃষ্ণগহ্বর ফেলে দিক , হিমালয়ের গাঢ় রাত্রির নিধুবনে জোনাকি জ্বলছে , হাইফ্রেমেবল রেডিয়ামের তেজস্ক্রিয় বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে বারুদ

নিমাই জানা
জন্ম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং থানার রুইনান গ্রামে , পড়াশোনা মুলত বিজ্ঞান নিয়েই , কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নির্জন পুরুষ অসুখ , ছায়ার মুলরোম , ঈশ্বর ও ফারেনহাইট জ্বরের ঘোড়া , ইছামতি ঈশ্বরী ও লাল আগুনের ডিম্বকোষ, ব্যাবিলনের চাঁদ , রজস্বলা বৃষ্টির গুণিতক সংখ্যা গুলো , আলঝামার্স পুরুষ ও সাপের কিমা , জাহান্নামের বাদাম গাছ , আত্মহত্যার ইকুয়েশন ও নির্বীজ ঋষিদের রক্তস্রাব , নীল সরাইখানা ও যক্ষার থ্রি জি অর্গাজম ,
জন্ম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং থানার রুইনান গ্রামে , পড়াশোনা মুলত বিজ্ঞান নিয়েই , কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নির্জন পুরুষ অসুখ , ছায়ার মুলরোম , ঈশ্বর ও ফারেনহাইট জ্বরের ঘোড়া , ইছামতি ঈশ্বরী ও লাল আগুনের ডিম্বকোষ, ব্যাবিলনের চাঁদ , রজস্বলা বৃষ্টির গুণিতক সংখ্যা গুলো , আলঝামার্স পুরুষ ও সাপের কিমা , জাহান্নামের বাদাম গাছ , আত্মহত্যার ইকুয়েশন ও নির্বীজ ঋষিদের রক্তস্রাব , নীল সরাইখানা ও যক্ষার থ্রি জি অর্গাজম ,
Post Views: 272
