
একাকিত্ব আমার সৌন্দর্য
মাঝে মধ্যে সকলকেই একা থাকতে হয়। আমি একা থাকতে ভালোবাসি এটাকে কোনো দুঃসময় ভাবি না। একা থাকলে চিন্তার খোরাক আসে। ‘aloneness’ আশ্চর্য একটি শব্দ। একাকিত্বেরও একটি সৌন্দর্য আছে। একাকিত্ব সাজানো শহরের মতো নয় বরং অপরিপাটি কম আয়োজনের একটি ভাঙাচোরা রেললাইন, কয়েকটি পাতিহাঁস, কচুরিপানার পুকুর, শ্যাওলাধরা পোড়ো বাড়ি, ফার্নের বাগিচা এসমস্ত ভিড় করে আসে। আমার সাথে হৃদয়ের কথা বলতে ব্যাকুল করে মারে। স্বাভাবিক তখন যে নিজের সাথেই নিজের ঘর বাঁধা। ধরাচূড়া সব ফেলে আত্মারামের মধ্যে খানিক ঢুঁ মারা। গোপন কথাগুলো বহু যুগের ওপার থেকে খলবলিয়ে উঠে আসে।
তখন আমি গান ধরি। জানি বেসুরো, জানি তার লয়, তাল ঠিক মাত্রায় পড়ে না তবুও ধরে যাই। এই একার মধ্যেকার আমিগুলো তখন ভীষণভাবে আমার বন্ধু হয়ে ওঠে। প্রাণের সই ঘাটের সই হয়ে ওঠে। আমি গানের অক্ষরে অক্ষরে অনুধাবন করি তার চমৎকারিত্ব।
রবীন্দ্রনাথের গানের মধ্যে ভেসে যাই। ভেঙে যাই দহনে পরিপূর্ণ হয়ে। অন্তর তখন রবীন্দ্রনাথের সুরে তাঁর জ্যোতিদাদার লেখা একটি গানের মধ্যে নিজস্ব একটি ছন্দ খুঁজে পাই শুনতে শুনতে —
“কবে তুমি গেয়েছিলে, আঁখির পানে চেয়েছিলে
ভুলে গিয়েছি / শুধু মনের মধ্যে জেগে আছে ওই নয়নের তারা।।”
কখনো কেউ আমায় দেখে গান গেয়েছিল কী! মনে পড়ে না তেমন মন্দ্র-মুখরিত প্রেমের ধ্বনি কেউ গেয়ে গেল আর তার চোখের তারা আমার আজীবন মনে থেকে গেল! এতো মধুর ক্ষণ আমি পেয়ে থাকি একলা যাপনে। ভাবাই তো যায় যে কেউ গাইছে আমার জন্য তার জন্য আমিও বলে ছিলাম হয়তো সেই স্বপ্নালোকিত কোনো বর্ষণঘন ভেজা সন্ধ্যায় “তুমি কথা কোয়ো না, তুমি চেয়ে চলে যাও/ এই চাঁদের আলোতে তুমি হেসে গলে যাও।” এই ভাবনাগুলোই সেজে বসে থাকে “একলা ঘর আমার দেশ/ আমার একলা থাকার অভ্যেস”- এর ভেতর।
অন্যের কাছে নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে পরিবেশন করতে পারি না সবসময় তার চেয়ে বরং কেবল আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে থাকি নিজেকে। হঠাৎ করে নতুন কোনো তিল আবিষ্কার করি এই সময়। মেয়েলি শরীরটা কিশোরীবেলায় প্রতিটি মেয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে একা গোপনে কেমন বড় হয়ে উঠছে স্ফীত হয়ে উঠছে লাস্যময়ী ত্বক। আয়নার ওপর নিজেকে মেলে ধরে তার সাথে কথা কয় কল্পিত প্রেমিকের রসময় উপস্থিতিত মনে করে। তখন তার একাকিত্ব ঘন হয়ে আসে চুমুতে আদরে। নিজের পাঁজরের হাড় সরিয়ে দিয়ে হৃদয়খানি তার হাতে তুলে দিতে ইচ্ছা হয় যুবতী শরীরের। অবোধ্য সুখানুভূতি গলা জড়িয়ে ধরে। বুকের ভেতর ফেলে আসা সাড়া-না দেওয়া প্রেমের চিঠিগুলো আপনা হতেই যেন ভেসে ওঠে রঙিন হয়ে।
এখনও প্রেমে পড়ি সেই সব রঙিন দিনগুলোর। একা থাকতে থাকতে সেজে উঠছে আমার ভেতরকার ইমারত। যেই অপমানগুলি পেয়েছিলাম একদিন এই সময় বসে ভাবি ফেরত দিয়ে আসি তাদের দুয়ারে যারা এই মুহূর্তে আমার কাছে দীন। আমার সম্পদ এখন আমি নিজেই। ফুল ফুটিয়ে দিই সময় ক্ষতের ওপর। নকশা বুনি কিশোরীবেলার ফেলে রাখার কল্পনার কাঁথায়।
মানুষ রোজকার জীবনে যেমন করে বাঁচে ভাবনাতে একাকিত্বে তার থেকে বহুগুণ আনন্দে যাপন করে। মানুষ কখনোই একলা থাকে না। যখন কেউ নেই তখন মনকে অনুসঙ্গ দেয় পোষিত চিন্তা। ধরো আমরা সমুদ্রে যাব। টিকিট কেটেছি। যখন থেকে টিকিট কেটেছি রোজ তারিখটা আমাদের মনে মনে আওড়ে যাচ্ছি আর আমরা সমুদ্রে স্নান করছি। যে কখনো পাহাড় দেখেনি সেও কিন্তু পাহাড়েই বসবাস করে যেদিন থেকে সে পাহাড়ে ভ্রমণে যাবে ভেবেছে। ব্যাগ গোছানো, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গোছানোর তৎপর তাকে মনে করিয়ে দেয় আর মাত্র কয়েকটি দিন, মাত্র কয়েকটি ঘন্টা তারপর পাহাড়ে পা।
একথা বিশ্বাস করতেই হয় যেই দৃশ্য আমাদের অভ্যন্তরে থাকে তা আলুলায়িত হয়ে পড়ে আমাদের একাকিত্বের সৌন্দর্যে। কখনো আনমনে হেসে কখনো নয়নজলে ভাসিয়ে দিই আমাদের গানের তরী।
আমি লিখতে বসলে লেখা আসে না কিছু কিছু সময়, তখন সমস্ত লেখা কুঁকড়ে থাকে অথচ যখন আমি লিখছি না, এই যেমন বাজার করতে করতে, মাছ ধুতে ধুতে, নুন হলুদ মাখিয়ে বেগুন ভাজতে ভাজতে, তাওয়াতে রুটি সেঁকতে সেঁকতে, শুকনো তুলে আনা কড়কড়ে জামা কাপড় ভাঁজ করতে করতে অথবা অনেকক্ষণ ধরে চুল বাঁধতে বাঁধতে তখনই আমি বেশি করে লিখে যাচ্ছি মনের ভেতর।
এই লেখাগুলো হয়তো প্রকাশ পাচ্ছে না কিন্তু ঐ যে একা যখন আছি তখন অপরিমিত কথাদের ভিড়ে আমি ধনী হয়ে উঠি। বৃত্তের বাইরে যারা পাগল বলে উঠবে আমি যখন হেসে উঠি বা গান গেয়ে উঠি অথচ ওইটাই আমার প্রচ্ছন্নভাবে এঁকে চলা চারুকলা। যেখানে মূলত আমি আমার সাথেই থাকি। এই যে ট্যাপ থেকে জল পড়ছে, ফ্যানটা বনবন করে ঘুরছে, ভাত ফুটছে টগবগ টগবগ করে, গোল হয়ে হয়ে রুটিটা খসখস শব্দ করে ঘুরছে চাকতির ওপর, কড়াইতে গরম তেলে মাছ ছেড়ে দিলে কলকল করে উঠছে, বাইরে ফুল ঝাড়ু বিক্রেতার ডাক, শিল কাটানো, ছুরি কাঁচি শানানোর ডাক আমিও ডেকে উঠি নিজের মতো করে এই সমস্ত দৃশ্য অভিনয় রূপান্তর শব্দ সব আমার ভেতর জুড়ে গল্প লিখে দিচ্ছে। আমি কথা বলছি তাদের সাথেই।
একা থাকি যখন বিপদের আশঙ্কা হলে ঈশ্বর ভজি, আনন্দে ধন্যবাদ দিই ঈশ্বরকে। পরাজিত হলে দোষারোপ করি সেই ঈশ্বরকেই। এসব মনের খেয়াল বলবে নাকি খেলা। একটা নির্ভরশীল কথোপকথন গড়ে তুলি ঈশ্বর আর আমার ভেতরের অজস্র টুকরোগুলোর মধ্যে। বিশ্বের বিভিন্ন ঘটনাগুলো আলোড়ন সৃষ্টি করে ভাবতে বসি কী হতে পারতো ওখানে আমি থাকলে। এই সমস্ত চিন্তা ও বিকল্প চিন্তা যখন গ্রাস করে নেই তখন আমার বাইরের একটেরে চালা ঘরটিতে কে এলো গেলো বা আসবে যাবে তার দিকে নজর দিই না। তখন আমি আমার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। ঘুড়ি উড়ছে মাঝ আকাশে। ঘুড়িকে উড়তে দিই লাটাইটাকে শক্ত করে বেঁধে রাখি বৃহৎ শক্তি দিয়ে।
হয়তো তাল মেলাতে না পেরে অজান্তেই দুর্বল হয়ে পড়ি জায়গাগুলো আরও দুর্বল হয়ে উঠলে লেখা আসে। আনন্দে লেখা আসে। আবার যখন কোনোভাবেই লেখা আসে না তখনও কিন্তু আমি লেখার মধ্যেই থাকি। ভাবি পশ্চিম পুব উত্তর দক্ষিণ কোনো একটা দিক ঠিক খুলে যাবে আর আমি একটা সার্থক লেখা লিখে উঠতে পারব।
একাকিত্বের সৌন্দর্য আমাকে হাতে সুদর্শন চক্র তুলে দেয়।
আমার কথাগুলো এই মুহূর্তেই সংসার করে বেশি করে। অপেক্ষা, উদ্বেগ, বিহ্বলতা সেভাবে আসে না একলা যাপনে। আসলে আমি অবাক হতে ভালোবাসি, বিস্মিত হয়ে ছোট্ট পিঁপড়ার চলাফেরা, তারা কেমন নিজস্ব রসক্রিয়ার দ্বারা পথ সাজিয়ে রাখে যে গন্ধ শুঁকে ব্যাটেলিয়ন একটিই নির্দিষ্ট পথে যায় আসে মুখে ঠোকাঠুকি করে। এই সময় লিখি বা না লিখি ভাবি। ভাবাটাই জরুরি মনে করি।
ভাবি এক জন্ম ধরে লিখতে চাই। যদিও কথাটি ইট চাপা দেওয়ালের মতো পড়ে থাকবে যাবতীয় ঘটনার ভেতর। তবুও শ্বাস প্রশ্বাস বলতে অজুত পড়া আর সামান্য লেখা। সারাদিন কাজের ভিড়ে মনে আসে কত কথা, পংক্তি, প্রসঙ্গ কিন্তু মাছ ধোয়া আঁশ জলের কলকলে শব্দে গলে যায় কথাগুলো সিঙ্কের পাইপ দিয়ে অথবা ভাতের টগবগে ফুটন্ত জলের মধ্যে উথলে উঠে আবার থিতিয়ে যায় হাঁড়িরই ভেতর।
যখন একমনে নিজের সাথে একাত্ম হই তখন দেখি যে অ্যাডেনিয়াম ফুলটি ফুটেছিল পশ্চিমের জানালায় তার পাপড়িগুলো উতাল হাওয়ায় নাচছে, পড়ন্ত রোদে গা ডুবিয়ে গোলাপি আভায় সেজে আছে । আমি তখন কি আর আমি আছি! সেই কোন্ রাজ্যের বাসিন্দা হয়ে যাই।
এই দুপুরের ছায়ার মতো আর একটি কবিতা যদি লিখতে পারতাম। তাহলে অনন্ত সুখ বিলাসে ভেসে যেতাম আমাদের গোপন সাম্পানে । আদরে আদরে বহুদূর। ফসফরাস রঙ যেন পাতার গায়ে লেগে থাকা ঘামটুকু।
মনে মনে যতবার কালি দিয়ে আঁক কষি ততবারই লেপে যায়, ঘেঁটে যায়। ছিন্ন হয় মনোসংযোগ। এ দুঃখ কার কাছেই বা বলি। সকলেই ব্যস্ত। বড় রাস্তার মতো। হর্ণ বাজিয়ে চলে যায় দ্রুত পাশ কাটানোর তাড়ায়।
আমি গ্রীষ্ম দুপুরের নির্জন গলিটির মতো, ক্ষ্যাপা হাওয়ায় দোলা উলুবনটির মতো, দেউলের ভাঙা মন্দিরের মতো একলা নিশ্চুপ বসে বসে ঘাস, বট গজাতে দিই। নিভৃতবাসের সঙ্গী ভেবে নিই এই চোখের পরিধি বরাবর আকাশ আর নকলনবীশ পাখির সুর।
সেই রাজ্য থেকে ফিরে আসি কলিং বেল বাজলেই। তিনটা বেজে গেছে এক লহমায় সময়জ্ঞান সজাগ হয়ে ওঠে। একটানা বিনয় মজুমদার পড়তে পড়তে একটি উজ্জ্বল মাছ আমারও ভেতর লাফ দিয়ে আমাকে দেবদারু গাছের মাথাতোলা শূন্যতার ভেতর ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিল খানিকক্ষণের জন্য। অচিরেই মাছ থেকে দরজায় ফিরে আসি নিজেকে খনন করে। তন্দ্রার ঘোর কেটে যায়। মুখের ওপর থেকে বই সরিয়ে দিয়ে ভাত বাড়ি ছেলেমেয়েদের জন্য ব্যস্ত হাতে। ওরা কলবল করে কথা কয়। সবার আগে হাত মুখ ধুয়ে খেতে বসে দেখে কী কী পদ ভাতের থালায় বেড়ে দিয়েছে মা। আর আমি দেখি থালায় ভরা কবিতাগুলি কেমন করে খেয়ে নিচ্ছে আমার জঠরজাতকেরা। ওদের দিকে কান পেতে রই। গ্রাসের মধ্যে থেকে কীভাবে আবৃত্তি হচ্ছে কবিতার লাইনগুলো। বাহ, চমৎকার মন্তব্য হচ্ছে প্রতি গ্রাস আস্বাদনের পর। ভাবি স্বাদ ও ছন্দ, সজ্জা তাহলে মন্দ হয়নি।
কবিতা যা লেখা হয়নি সারা দিন। যা লেখার কথা ভেবে গেছি রান্নার প্রতিটি পর্যায়ে। ঘ্রাণের ভেতর যদি খাদ্যের স্বাদের অণু লেগে থাকে। তাহলে এই বেড়ে দেওয়া থালায় প্রতিটি পদের ভেতর আমার কবিতার অক্ষর কি সেজে ওঠেনি! নাহ্ ঠিক সেজে আছে। ঐ তো চাল ধোয়ার সময় ভেবেছিলাম লিখব ” কীভাবে রোজ যত্ন তুলে দিই তোমারই মুখের ভেতর, অন্ধকার নেমে আসার আগে খেয়ে ফেল আমার সমস্ত প্রেম ও গোপন ইচ্ছাগুলি”। তারপর মাছ ধোয়ার সময় ভেবেছি ” আঁশগুলি ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে সম্পর্ক আরও গভীর করেছি তোমারই ছায়াতলে। ” বা শিলে পোস্ত বাটার সময় হাত থেকে পোস্তর দানাগুলো ঝাড়ার পরেও লেগে ছিল যে দানাগুলো তাদের দিকে তাকিয়ে বলেছিলাম “এভাবেই লেগে থেকো আত্মার সাথে, শরীর জুড়ায় আমার কামিনী কাঞ্চনে” ।
এই এতো সব ভাবনা কি আর একেবারে ভেসে গেছে। নাহ্ আমি বিশ্বাস করি তারা ঐ মাছ, পোস্ত, ভাতের ভেতর মিলে মিশে আছে। মনের কথাগুলিই রেঁধে ফেলেছি রকমারি মশলার স্বাদে সংসারের হাতায় ।
এখন সেগুলো গ্রাস গ্রাস সাদা ভাতের সাথে হলুদ মাছের ঝোল মাখিয়ে মুখে পু্রে নিচ্ছে আমার সন্তানেরা।
অক্ষর আমার আত্মার, সন্তানেরা আমার কলিজার টুকরো। তিন রতনে সারাদিন দাপিয়ে বেড়ায় আমার বুকে। আর রাতের অন্ধকারে নিমজ্জিত করি যখন নিজেকে, মোবাইলে কী-প্যাড চালনা করে গাঁথতে চাই রান্নার ফাঁকে ফাঁকে মনে মনে লিখে চলা পংক্তিগুলি, তখন তারা বড় শঠতা করে। আর আসে না ধরা দিতে। কী-প্যাডে বসে থাকে মাছের আঁশটে গন্ধের সাথে সাদা ভাত ফোটার মিষ্টি সুবাস, পোস্তর আহামরি স্বাদ। আর ফুটে থাকে গোলাপী আভার অ্যাডেনিয়াম, সুরভিত বেল ফুল জানালা জুড়ে।
নিজেকে রেখে যাই কত কী-র ভেতর স্বপ্নে ও সমস্যায়। অঙ্গনে ফুল ফোটে আর গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশী ঘরে, গাছের মাতৃত্ব বলতে তো এই। অন্যের ভালো করতে করতে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া। আমারও লাইন জুড়ে জুড়ে কতো উৎসব নিঃশব্দে বাস করে যায় ঘুমানো রাতের তারায়।
আমিও নিঃস্ব হয়ে যাই। নিজেকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ি আবার পরের দিনের আয়োজনে। শক্তি সঞ্চয়ে এটুকুই আমানত আমার।
একা একাই খনন করে যাই নিজেকে। আখরদানা উঠে আসে মোহময় ভাবনায়। নিজেকে চিনতে পারলেই মহৎ হওয়া যায়। সৌন্দর্য সেখানেই আমার মননশীল আত্মাকে লালিত করে। আমার লেখাগুলো সাজুক আর নাই সাজুক বাতি জ্বলে যায় পুরাতন আঁধারকে ঘোচাতে এই একলা যাপনে।
শতাব্দী চক্রবর্তী দুই এর দশকের লেখক। জন্ম পশ্চিম মেদিনীপুরে। বর্তমানে হাওড়ার বাসিন্দা। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক। বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষার সাহিত্যের একনিষ্ঠ পাঠক। সমসাময়িক বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন ও পত্র পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। প্রথম কাব্যগ্রন্থ “ঈশ্বরীর জাতক” প্রকাশিত হয় ২০২৪ এবং দ্বিতীয় কাব্য পুস্তিকা “বরফে বাঁধানো মুখ” ২০২৫ । কবিতা ছাড়াও গল্প ও মুক্ত গদ্য লেখেন।
Post Views: 287

